Web Analytics
চট্টগ্রামের ১১টি উপজেলায় টানা এক সপ্তাহ ধরে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। বৃষ্টিপাতের তীব্রতা কমলেও ভারতের ত্রিপুরা ও মিজোরাম থেকে নেমে আসা ঢলে বাঁশখালী, সাতকানিয়া, ফটিকছড়ি, রাউজান, বোয়ালখালী, চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, হাটহাজারি, আনোয়ারা, কর্ণফুলী ও পটিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, সাত লাখ ৫৯ হাজার মানুষ পানিবন্দি, যদিও প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। পাহাড় ধস ও বন্যার পানিতে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একাধিক দল সাত উপজেলায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছে। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকায় দুর্গম অঞ্চলের মানুষ যোগাযোগবিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ৯০৪৩ হেক্টর আউশ, ৯৬০ হেক্টর আমন বীজতলা ও ৫৯০৭ হেক্টর সবজি নষ্ট হয়েছে। মাছ ও প্রাণিসম্পদের ক্ষতি যথাক্রমে ৪০ কোটি ও ২৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে।

দুই প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং বৃষ্টিপাত কমে এলে দ্রুত উন্নতির আশা করা হচ্ছে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।