ইসরাইলে নির্বাচনি প্রচার জোরদার হয়েছে, রাজনৈতিক দলগুলোর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা জমা দেওয়ার কয়েক সপ্তাহ আগে। ক্ষমতাসীন জোটের সদস্যরা একে অপরকে টেক্কা দিতে মাঠে নেমেছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ডানপন্থি সমর্থকদের উজ্জীবিত করা এবং প্রতিপক্ষকে আক্রমণে এআই দিয়ে তৈরি ভিডিওর ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করছেন। এক পোস্টে তিনি গাদি আইজেনকোটকে ইসরাইলি বামপন্থি ও ফিলিস্তিনি নাগরিক মানসুর আব্বাসের ‘ট্রোজান হর্স’ বলে সতর্ক করেন।
অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচের প্রচারণার বড় অংশজুড়ে রয়েছে অবৈধ বসতি স্থাপন। তার কয়েকটি ভিডিওতে অধিকৃত পশ্চিম তীরে তিনি যে কথিত ‘বিপ্লব’ ঘটিয়েছেন, তার প্রশংসা করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থেকে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া এবং ফিলিস্তিনি বন্দিদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের ভিডিও নিয়মিত পোস্ট করছেন।
এআই দিয়ে তৈরি আরেক ভিডিওতে ইসরাইলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখানো হয়। বেন-গভির পরে ভিডিওগুলো সরিয়ে নিলেও ততক্ষণে সেগুলো লাখ লাখ বার দেখা ও ডাউনলোড করা হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তীব্র রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় ফিলিস্তিনিদের ওপর নিপীড়ন ভোট টানার হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।