মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ কারিগরি ত্রুটির কারণে ২১ জুলাই থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রেখেছে, যা দেশে গ্যাস সংকটকে আরও তীব্র করেছে। টার্মিনালটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস কমে যাওয়ায় আবাসিক গ্রাহক, শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজি স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ২৯ জুলাই বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সংকট নিরসনে সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে চিঠি দিয়ে এবং টেলিফোনে এ সংকট মোকাবিলায় কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছেন। শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন চিঠিটি কুয়ালালামপুরে হস্তান্তর করেছেন। আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, তাঁর দল ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জানাবেন। সরকার মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানি, তাদের অভিজ্ঞতা এবং পরামর্শ ব্যবহারের সম্ভাবনাও আলোচনা করেছে।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে দৈনিক ২৮০ থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ ফের শুরু হতে পারে এবং পরের সপ্তাহের শেষে এফএসআরইউ পুরোপুরি চালু হওয়ার আশা রয়েছে। মোহাম্মদপুর ও আদাবরের বাসিন্দারা গ্যাস না পাওয়ার অভিযোগে শুক্রবার বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছেন। স্থানীয়দের স্মারকলিপিতে নিম্নচাপ, দীর্ঘস্থায়ী সংকট ও অবৈধ সংযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাওয়া হয়েছে।