আইআইটি বম্বের দলিত শিক্ষার্থী সাহিল ওয়াকোড়ের আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ও প্রতিবাদ তীব্র হয়েছে। তাঁর পরিবারের অভিযোগ, এক অধ্যাপক নকলের মিথ্যা অভিযোগ তুলে জাতপাতভিত্তিক অপমানজনক মন্তব্য করেন এবং তাঁকে দীর্ঘদিন পদ্ধতিগত মানসিক নিপীড়নের মধ্যে রাখা হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে নিয়মভঙ্গ ও পড়াশোনার চাপের বিষয় হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, আইআইটির মতো প্রতিষ্ঠানে দলিত, আদিবাসী ও ওবিসি শিক্ষার্থীদের অভিযোগ শোনা ও সমাধানের কার্যকর, সংবেদনশীল ব্যবস্থা নেই। তাঁদের দাবি, প্রশাসনিক তদন্ত কমিটিগুলো প্রায়ই বৈষম্যের শিকার শিক্ষার্থীদের দাবি চাপা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ নেয় এবং নজরদারি ও শাস্তির ভয় দেখিয়ে প্রতিবাদ দমন করে। প্রতিবেদনে ২০১৬ সালে হায়দরাবাদ কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রোহিত ভেমুলার মৃত্যুর ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।
হিন্দুস্তান টাইমসের তথ্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৬ থেকে ২০২৬ পর্যন্ত আইআইটি ক্যাম্পাসগুলোতে মানসিক ও সামাজিক চাপে অন্তত ১৭১ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে; গত পাঁচ বছরেই মারা গেছেন ৬৬ জন। সাহিল ওয়াকোড়ের মৃত্যুর পর আন্দোলনকারীরা ন্যায়বিচার, অন্তর্ভুক্তিমূলক ক্যাম্পাস পরিবেশ এবং জাতপাতভিত্তিক নিপীড়ন বন্ধে বাস্তব পদক্ষেপ দাবি করছেন।