তীব্র লোডশেডিংয়ে লালমনিরহাটে জনজীবন, ব্যবসা, পড়াশোনা ও কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। সোমবার জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ বিভ্রাটের তীব্রতা বেড়ে ভোর পর্যন্ত চলেছে। কবে পরিস্থিতির উন্নতি হবে, সে বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি।
প্রচণ্ড গরমে ফ্যান ও ফ্রিজ বন্ধ থাকায় শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থরা বেশি কষ্ট পাচ্ছেন। চার্জের অভাবে শিক্ষার্থীরা অনলাইন অ্যাসাইনমেন্ট শেষ করতে পারছে না, আর ফ্রিজে রাখা খাবার ও মাছ নষ্ট হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, প্রিপেইড মিটারে অগ্রিম টাকা দেওয়া এবং মাস শেষে বিল পরিশোধের পরও তারা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না।
বিদ্যুতের অভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে উৎপাদন কমে গেছে, যদিও মালিকদের শ্রমিকের মজুরি দিতে হচ্ছে। সেচকাজ ব্যাহত হওয়ায় কৃষকরাও বিপাকে পড়েছেন এবং বিসিক শিল্পনগরীর কারখানা ও ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতির মুখে পড়েছে। বিদ্যুৎ অফিসের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। অটোরিকশাচালকেরা ব্যাটারি চার্জ না হওয়ায় আয় কমার আশঙ্কা করছেন।