মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে গাড়ির ধরন অনুযায়ী দৈনিক তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করেছে এবং জানিয়েছে দেশে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। অতিরিক্ত চাহিদার কারণে কিছু পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও অন্য পাম্পগুলো সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জনগণকে আতঙ্কিত না হতে আহ্বান জানিয়েছেন। জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে রোববার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে তেল বিক্রি শুরু হবে। বিপিসি জানিয়েছে, সরকার এখন পর্যন্ত তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং অতিরিক্ত দাম আদায় আইনগত অপরাধ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরান হামলার পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ায় বৈশ্বিক সরবরাহে প্রভাব পড়েছে। তবে সরকার আশা করছে, নিয়মিত আমদানি ও সরবরাহের মাধ্যমে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে।