Web Analytics
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার এক মাস পর দেশজুড়ে যুদ্ধবিরোধী মনোভাব ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রভাব স্পষ্ট হলেও মার্কিন কংগ্রেস এখনো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা সীমিত করতে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এই সপ্তাহে সিনেটে ওয়ার পাওয়ার্স রেজোলিউশন আবারও ব্যর্থ হয়েছে, ৫৩–৪৭ ভোটে দলীয় লাইনে বিভক্ত ফলাফলে। প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট নেতারাও ভোট আয়োজন থেকে সরে গেছেন, যদিও প্রস্তাবটি পাস হওয়ার মতো সমর্থন রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ডেমোক্র্যাটদের রাজনৈতিক সতর্কতা ও রিপাবলিকানদের দলীয় আনুগত্য এই অচলাবস্থার কারণ। জরিপে দেখা গেছে, ৬১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক যুদ্ধের বিরোধিতা করছেন এবং ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা তার দায়িত্ব গ্রহণের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। প্রশাসন এখনো যুদ্ধের কোনো স্পষ্ট লক্ষ্য ঘোষণা করেনি, বরং ইরানের সামরিক সক্ষমতা হ্রাস ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যাকে সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে।

পেন্টাগন অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে, যা স্থলযুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়েছে। কিছু রিপাবলিকান ২০০ বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধ তহবিল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, আর কিছু রক্ষণশীল নেতা ট্রাম্পের “আমেরিকা ফার্স্ট” প্রতিশ্রুতির সঙ্গে যুদ্ধের বিরোধ দেখছেন। পর্যবেক্ষকদের মতে, যুদ্ধের স্থায়িত্ব ও অর্থনৈতিক প্রভাবই আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে এর রাজনৈতিক ফল নির্ধারণ করবে।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।