জামায়াতে ইসলামী নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এমপি অভিযোগ করেছেন, সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের রাজসাক্ষী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, রিজওয়ানা হাসানের বক্তব্যে নির্বাচনী কারচুপির বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
ডা. তাহের প্রশ্ন তোলেন, তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার বা বর্তমান সরকার কি জামায়াতে ইসলামীর প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠা ঠেকাতে যোগসাজশ করেছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ডিসি, এসপি, টিএনও, ওসি ও প্রিসাইডিং অফিসারদের এমনভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল যাতে কাঙ্ক্ষিত ফল নিশ্চিত করা যায়। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, রিজওয়ানা হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো পরিস্থিতি জাতির সামনে পরিষ্কার করতে।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনের আগে জামায়াত কয়েকজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিল, যাদের মধ্যে রিজওয়ানা হাসান ও খলিলুর রহমানের নাম উল্লেখ করেন। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।