ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে, সাহিদা ফকির নামে উত্তর চব্বিশ পরগনার এক নারীকে নাগরিকত্ব যথাযথভাবে যাচাই না করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিল বলে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে। তার ছেলে সাহিন ফকিরের অভিযোগ, ১৯ জুলাই স্থানীয় বাজারে কেনাকাটার সময় বাংলাদেশি সন্দেহে নাভি মুম্বাই পুলিশ তাকে আটক করে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়।
আবেদনে বলা হয়েছে, সাহিদাকে কয়েক দিন হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি এবং পাঁচ দিনের বেশি হেফাজতে রাখলেও তাকে কোনো বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়নি। পরে তাকে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দিয়ে আসাম সীমান্ত দিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করিয়ে বাংলাদেশে পাঠানো হয় বলে অভিযোগ। ৩১ জুলাই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের পর তারা জানতে পারে তিনি বাংলাদেশে আছেন।
সাহিন তার মাকে দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে আনা এবং সেখানে তার নিরাপত্তার ব্যবস্থা চেয়েছেন। নাগরিকত্বের প্রমাণ হিসেবে তিনি ভোটার কার্ড, জন্মনিবন্ধন, প্যান কার্ড, রেশন কার্ড ও জমির নথির কথা উল্লেখ করেছেন। আদালত এখনো সাহিদাকে বেআইনিভাবে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিল কি না, সে বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি। কেন্দ্রের বক্তব্য শোনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।