বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ভারতের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের তুলনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) চরম সরঞ্জাম ও অবকাঠামোগত সংকটে রয়েছে। ২০ থেকে ২৪ জুন কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, জয়পুরহাট, নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় সীমান্তে দেখা যায়, বিএসএফ যেখানে লেজার ওয়াল, থার্মাল ক্যামেরা ও প্রশস্ত সীমান্ত সড়ক ব্যবহার করছে, সেখানে বিজিবি সদস্যরা ভাঙা সাইকেল ও কাদা-পানির রাস্তায় টহল দিচ্ছেন। রংপুর অঞ্চলের বিজিবি কর্তৃপক্ষও সীমাবদ্ধতা স্বীকার করে জানিয়েছে, সীমান্ত সড়ক সংস্কার ও যানবাহনের ব্যবস্থা হলে টহল কার্যক্রম সহজ হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক সংসদ সদস্যরা জানান, সীমান্তে রাস্তা ও সেতুর অভাব, নদী-খালের প্রতিবন্ধকতা এবং ক্যাম্পের দূরত্বের কারণে বিজিবির চলাচল ব্যাহত হয়। জনবল সংকটের কারণে অনেক সময় সাধারণ মানুষকেও টহলে সহায়তা করতে হয়। অন্যদিকে বিএসএফ সীমান্তজুড়ে ঘন ক্যাম্প, স্মার্ট নজরদারি ব্যবস্থা ও কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করেছে।
এই বৈষম্যের ফলে সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবি ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে এবং স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা ও কৌশলগত সতর্কতার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।