যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গণনা এখনো শেষ না হলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে হিসাব শুরু হয়েছে। কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাটদের বড় সাফল্য দলটিকে বাড়তি গতি ও আত্মবিশ্বাস দিতে পারে। বিপরীতে রিপাবলিকানদের পরাজয় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের অবস্থান নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। এখনো কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থিতা ঘোষণা করেননি, তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা আড়ালে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
জর্জিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ, পেনসিলভানিয়ার গভর্নর জশ শাপিরো এবং ইলিনয়ের গভর্নর জেবি প্রিটজকার নির্বাচনী জয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছেন। আরকানসাসে রিপাবলিকান টম কটন ও সারা হাকাবি স্যান্ডার্স পদ ধরে রাখলেও তাদের জয়ের ব্যবধান কমেছে। জরিপে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকাণ্ড নিয়ে ভোটার অসন্তোষকে রিপাবলিকান বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে দেখা হয়েছে, যা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর জন্য চাপ তৈরি করেছে।
ফলাফল ডেমোক্র্যাটদের মধ্যপন্থি ও বামপন্থি অংশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের বিতর্কও তীব্র করেছে। জীবনযাত্রার ব্যয় ও অর্থনৈতিক সংকটকে গুরুত্ব দেওয়া প্রার্থীরা ভালো করায় ২০২৮ সালে অর্থনীতি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হতে পারে। দুই দলকেই দোদুল্যমান ও হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থনের জন্য নতুনভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।