২০২৬ সালের ৪ জুন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইতিহাসবিদ আবদুল করিমের জীবন ও গবেষণার অবদান তুলে ধরা হয়েছে। তিনি রাজা-বাদশাহদের কাহিনি নয়, মানুষের জীবন, ভাষা ও সমাজের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলার মধ্যযুগকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। শিলালিপি, পুথি ও বিদেশি ভ্রমণকথা বিশ্লেষণ করে তিনি দেখিয়েছেন, বাংলার মধ্যযুগ অন্ধকার নয় বরং রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশের যুগ।
দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত দুটি চরম বয়ান—বিজেতাদের যুগ ও নিখাদ গৌরবের কাহিনি—এর বাইরে দাঁড়িয়ে আবদুল করিম ইতিহাসকে দলিলের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা করেছেন। তার গবেষণায় সহাবস্থান, সংস্কৃতির মেলবন্ধন ও বাংলার নিজস্ব চলনের প্রতিফলন দেখা যায়। জাতীয়, আঞ্চলিক, সামাজিক, সাহিত্য ও মুদ্রাবিষয়ক ইতিহাসে তার প্রায় চল্লিশটি গ্রন্থ আজও গবেষক ও পাঠকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে, বর্তমান সময়ে ইতিহাস নিয়ে বিভাজন বাড়লেও আবদুল করিমের সত্যনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গি নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের অতীতকে নিজস্ব দৃষ্টিতে দেখার অনুপ্রেরণা দেয়।