Web Analytics
ইরানের সঙ্গে কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধে বিপুল গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ১২ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশেষ করে দূরপাল্লার নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমছে। ফলে ভবিষ্যতে অন্য কোনো সংঘাত দেখা দিলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি কতটা কার্যকর থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যুদ্ধ দীর্ঘ হলে নতুন অস্ত্র উৎপাদন ও মজুত পুনর্গঠনের চাপ আরও বাড়বে।

মার্কিন কর্মকর্তারা অস্ত্রভান্ডারের সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশে রাজি নন; তাদের মতে, এমন তথ্য প্রকাশ সামরিক নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে কংগ্রেস সদস্য ও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে হাজার হাজার লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়ে বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য গোলাবারুদ ব্যবহার করেছে। কর্মকর্তারা বর্তমান প্রয়োজন মেটানোর মতো সরবরাহ থাকার কথা বললেও ভবিষ্যৎ সংঘাতের জন্য মজুতের নিরাপত্তা স্পষ্ট নয়।

ইরানের ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকেন্দ্র, ড্রোন ঘাঁটি ও অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় হামলায় যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করছে। ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করতেও যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের বিপুল প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর ইরান বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক চাপ অব্যাহত রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

Card image

Related Videos

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।