যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরান ‘সবচেয়ে তীব্র ও ভারী অভিযান’ শুরু করেছে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানায়, তারা ইরাক, বাহরাইন, কুয়েত ও সৌদি আরবের মার্কিন ঘাঁটি এবং ইসরাইলের তেল আবিব, হাইফা ও জেরুসালেমের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। ইরান দাবি করেছে, তারা হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে, যা বিশ্ব তেল পরিবহনের অন্যতম প্রধান পথ।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দৃশ্য প্রকাশিত হয়েছে, আর উপসাগরীয় দেশগুলো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরের কাছে বিস্ফোরণ ঘটে ইসরাইলি হামলার পর। রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানে প্রায় ২০ হাজার বেসামরিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ইরানের ১৯ কর্মকর্তা ও সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি আহত হলেও নিরাপদ আছেন বলে জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানবিরোধী অভিযানে রোমানিয়ার সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করতে পারে বলে অনুমোদন পেয়েছে।