তিনজন ইমিউনোলজিস্ট বাংলাদেশে হামের টিকার মান ও ক্রয়প্রক্রিয়া আরও কঠোরভাবে যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন। ২৭ অক্টোবর প্রথম আলোতে প্রকাশিত আইইডিসিআরের এক গবেষণায় টিকা নেওয়া ৩০৯ শিশুর মধ্যে ৮৫ জনের, অর্থাৎ ২৭.৫ শতাংশের রক্তে হামের অ্যান্টিবডি নেগেটিভ পাওয়া যায়। এপ্রিল-মে ২০২৬ সালের জাতীয় হাম-রুবেলা টিকাদান অভিযানের পর সেপ্টেম্বরে পরিচালিত জরিপে ৬৫.৭ শতাংশের ফল পজিটিভ এবং ৬.৮ শতাংশের ফল অনিশ্চিত বা বর্ডারলাইন ছিল।
লেখকদের মতে, এই ফল টিকার উৎপাদনগত মান, দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা এবং নিয়ন্ত্রক মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তাঁরা ২০১৭-১৮ সালের একটি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যা ২০২৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং যেখানে নয় মাস বয়সে টিকার প্রথম ডোজ পাওয়া ২৯২ শিশুর প্রায় সবার শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছিল। তাঁদের ভাষ্য, সাম্প্রতিক ফল ব্যাখ্যায় শুধু বয়স, অপুষ্টি বা কোল্ড চেইনকে প্রধান কারণ ধরে নেওয়া যথেষ্ট নয়।
নিবন্ধে WHO প্রাক্যোগ্যতার পাশাপাশি FDA বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনুমোদনকে টিকা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি, টিকা নির্বাচন ও কেনার সিদ্ধান্ত স্বাধীন ও স্বচ্ছ হওয়া এবং নির্দিষ্ট কোম্পানির টিকা গবেষণা বা ট্রায়ালে যুক্ত ব্যক্তিদের সম্ভাব্য স্বার্থ সংঘাতের কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত থেকে দূরে রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।