চট্টগ্রামের নবগঠিত ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার সদর দপ্তর নির্ধারণের প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিয়ে নথি, গণশুনানির সুপারিশ ও মানচিত্রে অসংগতির অভিযোগ উঠেছে। ১ জুলাই উপজেলা ঘোষণার পর উত্তরাঞ্চলের তিন ইউনিয়ন ও দক্ষিণের সুয়াবিল ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, গণশুনানির সুপারিশ উপেক্ষা করে সদর দপ্তরের অবস্থান বদলানো হয়েছে এবং শুনানি ছাড়াই হারুয়ালছড়ি ও সুয়াবিল ইউনিয়ন নতুন উপজেলার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দীর্ঘদিনের দাবিতে বাগানবাজার, দাঁতমারা, নারায়ণহাট ও ভুজপুর ইউনিয়ন নিয়ে উপজেলা গঠনের উদ্যোগ হয়; এই চার ইউনিয়নে গণশুনানি শেষ হয় ২০২২ সালের ২১ ডিসেম্বর। ২০২৫ সালের ২৮ সেপ্টেম্বরের একটি চিঠিতে জুজখোলা মৌজায় সদর দপ্তরের প্রস্তাব ছিল। তবে নিকার নথিতে উল্লিখিত জুজখোলা থেকে পশ্চিম ভুজপুরে সদর সরানোর উদ্যোগের অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, বাগানবাজার থেকে বর্তমান ফটিকছড়ি সদর প্রায় ৫২ কিলোমিটার দূরে, আর পশ্চিম ভুজপুর থেকে বাগানবাজার প্রায় ৪২ কিলোমিটার। সুজনের আখতার কবির চৌধুরী নথি ও বাস্তবতার ধারাবাহিকতার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। অধ্যাপক মঞ্জুরুল কিবরিয়া অভিযোগ নিরপেক্ষ তদন্তের কথা বলেছেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব আনোয়ার ইমাম জানান, বিভাগটি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে।