কক্সবাজারের মহেশখালীতে অ্যাক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চার দিন ধরে অচল থাকায় চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। ২৬ জুলাই ২০২৬ পেট্রোবাংলা জানায়, টার্মিনালটির অচলাবস্থায় সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে এবং গ্যাসনির্ভর শিল্পকারখানাগুলো স্বাভাবিক উৎপাদন বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছে।
পেট্রোবাংলার বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এফএসআরইউতে আগুন ও কারিগরি ত্রুটির সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ক্ষতিগ্রস্ত টার্মিনাল মেরামতে দেশি ও বিদেশি কারিগরি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কাজ চলছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রভাব সবচেয়ে বেশি; গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় অনেক সিএনজি পাম্পে সরবরাহ বন্ধ, আর কিছু পাম্প সীমিতভাবে চলছে।
দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩ হাজার ৮০০ এমএমসিএফডি, তবে টার্মিনালটি বন্ধ থাকায় জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন প্রায় ৪৫০ এমএমসিএফডি কম গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। দেশে থাকা দুটি এফএসআরইউ থেকে দৈনিক প্রায় ৯৭০ এমএমসিএফডি এলএনজি সরবরাহ হয়, যা মোট সরবরাহের প্রায় ৩৭ শতাংশ। পেট্রোবাংলা নির্দিষ্ট সময় না জানালেও মেরামত শেষ হলে সরবরাহ পুনরায় চালুর কথা বলেছে।