বাংলাদেশে খুচরা বিক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, জ্বালানি তেলের সংকটের সুযোগে ভোজ্যতেল কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে এবং দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তারা জানান, গত দেড় মাস ধরে কোম্পানিগুলো সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির অজুহাতে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ট্যারিফ কমিশনে দাম সমন্বয়ের আবেদন করেছে, তবে সরকার এখনো কোনো বৈঠক বা সিদ্ধান্ত নেয়নি।
রাজধানী ও আশপাশের বাজারে এক ও দুই লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রায় অনুপস্থিত, পাঁচ লিটারের বোতলও সীমিত পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, কমিশন কমে যাওয়ায় তাদের লাভ কমেছে এবং বিক্রিতে আগ্রহ হ্রাস পেয়েছে। কোথাও কোথাও এমআরপির চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। পাইকারি বাজারে খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম কেজিতে প্রায় পাঁচ টাকা বেড়েছে।
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) এক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি নজরদারির অভাবে অসাধু ব্যবসায়ীরা সক্রিয় হয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। তিনি দ্রুত কার্যকর সরকারি পদক্ষেপের আহ্বান জানান।