ইসরাইলি দৈনিক ইয়েদিয়োথ আহরোনোথের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননের তায়েবেহ এলাকায় সংঘর্ষে হিজবুল্লাহর নতুন ফাইবার‑অপটিক ড্রোন ইসরাইলের বহু বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করছে। আহত সেনাদের উদ্ধারে আসা একটি ইসরাইলি মেডিকেল হেলিকপ্টারের দিকে ড্রোন দ্রুত এগিয়ে গেলে ইলেকট্রনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যর্থ হয় এবং স্থল সেনাদের গুলি চালিয়ে সেটি থামাতে হয়, যা কয়েক মিটার দূরে বিস্ফোরিত হয়।
এই ফার্স্ট‑পারসন ভিউ ড্রোনগুলো রেডিও বা স্যাটেলাইট সিগন্যালের পরিবর্তে সরাসরি ফাইবার‑অপটিক কেবল দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হয়, যা ১০ থেকে ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে কোনো ওয়্যারলেস সিগন্যাল না থাকায় জ্যাম করা যায় না এবং হালকা ফাইবারগ্লাস নির্মাণের কারণে রাডারে প্রায় অদৃশ্য থাকে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এগুলো ইসরাইলের “ট্রফি” প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেও পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে।
কিছু সেনা ইউনিট এখন অস্থায়ীভাবে জাল ব্যবহার করছে, যদিও এটি কার্যকর নয়। বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধসহ সাম্প্রতিক সংঘাতের অভিজ্ঞতা থেকে এই প্রযুক্তির বিকাশ ঘটেছে। ঝড় বা বৃষ্টিতে কেবল ছিঁড়ে গেলে ড্রোন অকেজো হয়ে পড়ে, তবুও কম খরচের এই প্রযুক্তি আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।