ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধের কোনো লক্ষণ নেই বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে; এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানির পথ সংকুচিত হচ্ছে এবং জ্বালানির দাম বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে ইরান ও তার মিত্ররা সামরিক উত্তেজনা বাড়িয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ব্যাহত করেছে। শুক্রবার ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের একটি দ্বীপ দখল করে, যা মধ্যপ্রাচ্যের তেল পরিবহনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত করতে পারে।
ইউরেশিয়া গ্রুপের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক গ্রেগরি ব্রু বলেন, ইয়েমেনে হুথিদের সাফল্য পরিস্থিতিকে ইরানের অনুকূলে নিয়েছে এবং পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে না গিয়েই তেহরান পরিস্থিতি বদলাতে পেরেছে। ইরান হুথিদের অস্ত্র, অর্থ ও রসদ দেয়। তবে বিশ্লেষকদের মতে, শিয়া গোষ্ঠীটি ইয়েমেনে ইরানের স্বার্থে সরাসরি কাজ করে না, আবার তেহরানের প্রভাব থেকেও পুরোপুরি স্বাধীন নয়।
শুক্রবার তেলের দাম সাময়িকভাবে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১০ ডলারে ওঠে, যা যুদ্ধের আগের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। গত মাসে সৌদি তেল রপ্তানি ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমেছে। ইরাকের ভূখণ্ড থেকে ড্রোন হামলার পর লোহিত সাগরগামী তেল পাইপলাইন সাময়িক বন্ধ করা হয়; সৌদি আরব ইরান-সমর্থিত হুথিদের অভিযুক্ত করেছে এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ‘সম্ভবত’ দায়ী বলেছেন।