বাংলাদেশের ই-কমার্স খাত ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়া, গ্রাহক আস্থার সংকট, কমে যাওয়া বিনিয়োগ, উচ্চ পরিচালন ব্যয় ও কঠোর প্রতিযোগিতার কারণে গভীর সংকটে পড়েছে। ২৫ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজার সংকুচিত হওয়ায় বহু প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাই, কার্যক্রম সীমিত করা বা ব্যবসা বন্ধের পথে যাচ্ছে। নতুন উদ্যোক্তাদের আগ্রহও কমেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ডলারের উচ্চমূল্য, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতিতে ডেলিভারি-লজিস্টিক ব্যয় বেড়েছে এবং বিলাস বা শৌখিন পণ্যের চাহিদা কমেছে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ কমা, ডিজিটাল প্রতারণা ও নীতিগত অনিশ্চয়তাও চাপ বাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে দারাজের ১৬টি হাব ১৪ জুন থেকে স্থায়ী বন্ধের সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন স্থানে বিকল্প হাব না থাকার কথা বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ মোবাইল ফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের হিসাবে, ৩২টি প্রতিষ্ঠানের কাছে গ্রাহকের পাওনা ৫৩১ কোটি টাকা। বিশেষজ্ঞরা স্বচ্ছ লেনদেন, গ্রাহক সুরক্ষা, নীতিগত সহায়তা, সহজ ঋণ ও প্রযুক্তিনির্ভর লজিস্টিক ব্যবস্থার কথা বলেছেন। তাঁদের মতে, খাতটিকে সম্প্রসারণের বদলে টেকসই ব্যবসার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।