‘ফেক নিউজ’ প্রচারের অভিযোগে সিএনএন, এমএসএনও ও পলিটিকোকে হোয়াইট হাউসে নিষিদ্ধ করার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। শুক্রবার তিনি নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন এবং শনিবার আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে একই পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন। চার আইন বিশেষজ্ঞের মতে, সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টিভঙ্গি বা প্রতিবেদন বিবেচনায় সরকারি প্রবেশাধিকার সীমিত করা মার্কিন আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।
সিএনএন, এমএসএনও ও পলিটিকো ওয়াশিংটন ডিসির ফেডারেল আদালতে মামলা করেছে। তাদের অভিযোগ, প্রথম সংশোধনীর অধীনে সুরক্ষিত মতপ্রকাশের কারণে প্রতিশোধমূলকভাবে তাদের প্রবেশাধিকার বাতিল করা হয়েছে এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। জেলা বিচারক টিমোথি কেলি আগামী বুধবার শুনানির দিন নির্ধারণ করেছেন। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে সিএনএনের এক সাংবাদিকের প্রবেশাধিকার বন্ধের সিদ্ধান্তও তিনি আটকে দিয়েছিলেন।
হোয়াইট হাউস বলেছে, নিষিদ্ধ সংবাদমাধ্যমগুলো বাইরে থেকে প্রতিবেদন করতে পারবে এবং ওভাল অফিসে জায়গাকে অধিকার হিসেবে দাবি করতে পারবে না। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ওভাল অফিস ও এয়ার ফোর্স ওয়ানের মতো সীমিত স্থানে প্রেসিডেন্টের নিয়ন্ত্রণক্ষমতা বেশি। ২০২৫ সালের জুনের এক আপিল রায়ে নির্দিষ্ট স্থানে এপির প্রবেশ সীমিত করার ক্ষমতার কথা বলা হলেও, সামগ্রিক প্রেস সুবিধা থেকে কোনো প্রতিষ্ঠানকে বাদ দেওয়ার ক্ষমতা স্বীকৃত হয়নি।