গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস (জিআরএফসি) ২০২৬ জানিয়েছে যে ২০২৫ সালে গাজা উপত্যকা ও সুদানের কিছু অঞ্চলে দুর্ভিক্ষ নিশ্চিত হয়েছে, যা আনুষ্ঠানিক দুর্ভিক্ষ প্রতিবেদন শুরুর পর প্রথমবারের মতো একসঙ্গে দুটি স্থানে নিশ্চিত হলো। ১৮টি মানবিক ও উন্নয়ন সংস্থার যৌথভাবে প্রস্তুত করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৪৭টি সংকটাপন্ন দেশ ও অঞ্চলের ২২.৯ শতাংশ মানুষ—প্রায় ২৬৬ মিলিয়ন—২০২৫ সালে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছে। যদিও সংখ্যা ২০২৪ সালের তুলনায় সামান্য কম, এটি মূলত বিশ্লেষিত দেশের সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণে।
গাজা উপত্যকা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত, যেখানে ৬ লাখ ৪০ হাজার ৭০০ মানুষ—জনসংখ্যার ৩২ শতাংশ—দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত, আর সুদানে সংখ্যা ৬ লাখ ৩৭ হাজার ২০০। দক্ষিণ সুদান, ইয়েমেন, হাইতি ও মালিতেও সীমিত জনগোষ্ঠী মারাত্মক খাদ্য সংকটে পড়েছে। সংঘাত ও সহিংসতা ১৯টি দেশে ১৪৭.৪ মিলিয়ন মানুষকে ক্ষুধার মুখে ফেলেছে, আর আবহাওয়া ও অর্থনৈতিক ধাক্কা অন্যান্য দেশে প্রধান কারণ। খাদ্য সংকট মোকাবিলায় অর্থায়ন ২০১৬–২০১৭ সালের স্তরে নেমে গেছে।
প্রতিবেদনটি সতর্ক করেছে যে কাঠামোগত কারণগুলো মোকাবিলায় টেকসই পদক্ষেপ না নিলে ২০২৬ সালেও দুর্বল দেশগুলো বৈশ্বিক ক্ষুধার ভার বহন করবে।