ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দেশটি দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়িনি বলেন, ইরান শিগগিরই এখনো ব্যবহার না করা উন্নত অস্ত্র মোতায়েন করবে। এরই মধ্যে ইরান ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে তেল আবিব ও বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর রয়েছে। বাহরাইনের রাজধানী মানামায় ইসরাইলি দূতাবাসেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় টানা বিমান হামলা চালাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, ইরানে হামলার মাত্রা নাটকীয়ভাবে বাড়ানো হবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থল অভিযান নাকচ করলেও আকাশ হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, যৌথ হামলায় এক হাজারের বেশি মানুষ নিহত ও হাজারো স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই যুদ্ধকে ‘অসাধারণ ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন।
কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সতর্ক করেছেন, সংঘাতের কারণে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করতে পারে।