প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনে স্থলযুদ্ধের পাশাপাশি গোয়েন্দা যুদ্ধে হুথিরা ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে পড়েছে। রাশিয়ার উপগ্রহভিত্তিক ভূ-স্থানিক ও সিগন্যাল গোয়েন্দা তথ্য ইরান-নেতৃত্বাধীন কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিল। মাঠপর্যায়ের তথ্যের সঙ্গে এই সমন্বয় পশ্চিম উপকূলে ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেসের অবস্থান ও দুর্বলতা শনাক্ত করে হুথিদের সামরিক সুবিধা দিয়েছিল। এখন সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনী ওই ব্যবস্থার পাল্টা মোকাবিলা করছে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট ফোর্সেস কমান্ড ও এনআরএফ ইউনিটগুলোর যোগাযোগ দুর্বল হওয়ায় ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর নির্দেশনা ছড়ানোর কথা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। মোখায় সৌদি বিশেষ বাহিনী মাঠের প্রকৃত অবস্থান এবং কমান্ডে পাঠানো তথ্যের মধ্যে অসামঞ্জস্য দেখতে পায়, যা বিমান হামলার পরিকল্পনাকে জটিল করে। এনআরএফের জনবল সংকটও দেখা যায়; কয়েকটি ব্রিগেড সক্রিয় করার সময় নিবন্ধিত সদস্যদের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ অনুপস্থিত ছিল।
১৯ সেপ্টেম্বর রাতে সানায় হুথিদের শীর্ষ কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কাঠামোয় বড় হামলায় অন্তত দুই মেজর জেনারেল, সাত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও ৩২ কর্নেল নিহত হওয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দুর্বলতা কাটাতে সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনী যৌথ জেটিএসি দল মোতায়েন, সরাসরি যাচাই, পৃথক তথ্যপ্রবাহ এবং বিকল্প এনক্রিপ্টেড যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করছে।