একীভূত পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকরা এখন চিকিৎসার পাশাপাশি অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। ২৯ জুলাই ২০২৬, বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। সিদ্ধান্তটি ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য প্রযোজ্য।
আগের স্কিমে কেবল গ্রাহকের নিজের চিকিৎসার জন্য অর্থ তোলার সুযোগ ছিল। সংশোধিত স্কিমে মা-বাবা, ছেলে-মেয়ে, ভাই-বোন এবং স্বামী-স্ত্রীর চিকিৎসার প্রয়োজনকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, মেয়ের বিয়ে বা পরিবারের সদস্যের চিকিৎসার মতো প্রয়োজনেও গ্রাহকদের অর্থ লাগতে পারে; নতুন ব্যবস্থায় চিকিৎসার বাইরে এমন জরুরি কাজেও অর্থ তোলার সুযোগ যুক্ত হয়েছে।
গত বছর অন্তর্বর্তী সরকার শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করে। আমানত বীমা তহবিল থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পরিশোধের ব্যবস্থায় এখন পর্যন্ত ৮ লাখ ২২ হাজার আমানতকারীকে ৩ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। গত ডিসেম্বর শেষে পাঁচ ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৮৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ।