সরকার রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়া ও সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস দিলেও বুধবার ঢাকাজুড়ে জ্বালানি তেলের সংকট অব্যাহত ছিল। খিলক্ষেত, এয়ারপোর্ট, উত্তরা, মহাখালী ও মগবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক ফিলিং স্টেশন বন্ধ এবং খোলা পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন। অনেক চালক ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অকটেন না পেয়ে ফিরে গেছেন।
পেট্রোল পাম্প মালিকরা জানান, ঈদ সামনে রেখে দূরপাল্লার বাসগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় ব্যক্তিগত যানবাহনের জন্য সরবরাহ কমে গেছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, এজেন্ট ও পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন বিপিসি ও মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়হীনতাকে দায়ী করেছে। অন্যদিকে বিপিসি কর্মকর্তারা সংকট অস্বীকার করে বলেন, আতঙ্কে অতিরিক্ত জ্বালানি কেনার প্রবণতাই সমস্যার কারণ।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে সরকার সাময়িক রেশনিং ব্যবস্থা চালু করলেও পরে তা প্রত্যাহার করে। পর্যাপ্ত মজুত থাকার সরকারি দাবি সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ে ভোক্তাদের ভোগান্তি কমেনি।