ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ বা টিসিবি এক বা একাধিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে ভোজ্যতেল, চিনি ও মসুর ডাল আমদানির অনুমোদন চেয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। টিসিবি চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফয়সল আজাদের পাঠানো প্রস্তাব অনুযায়ী পণ্য বাজারদরে বিক্রির কথা বলা হয়েছে, যা নিম্নআয়ের মানুষ বাড়তি সুবিধা পাবেন কি না—সে প্রশ্ন তুলেছে।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও বিশ্লেষকেরা জনস্বার্থ, স্বচ্ছতা এবং টিসিবির সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রস্তাবে মালিকানা কাঠামো, বিনিয়োগের পরিমাণ, লাভ-লোকসান বণ্টন, বেসরকারি অংশীদার বাছাই, আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক মুদ্রার ঝুঁকি এবং সম্ভাব্য লোকসানের দায়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। তাদের আশঙ্কা, ঝুঁকি সরকারি অর্থ বহন করলেও লাভ পেতে পারে বেসরকারি অংশীদাররা।
টিসিবির দাবি, এ উদ্যোগে পণ্যের সরবরাহ বাড়বে এবং বাজারদর স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে। মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবটি পর্যালোচনায় রয়েছে। কর্মকর্তারা প্রতিযোগিতামূলক অংশীদার নির্বাচন, বিনিয়োগ ও মুনাফার স্বচ্ছ হিসাব, ব্যয় নিরীক্ষা, বিক্রয়মূল্য নীতি প্রকাশ এবং নিম্নআয়ের মানুষের জন্য বরাদ্দ ও মূল্য নির্দিষ্ট করার প্রয়োজনের কথা বলেছেন। টিসিবির মুখপাত্র বলেন, দায়দায়িত্ব ও মুনাফা বণ্টন পিপিপি কাঠামোয় নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।