সারা দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গোৎসব সোমবার থেকে জমে উঠেছে। শেষ মুহূর্তের পূজা-অর্চনার পাশাপাশি নানা কর্মসূচিতে পালিত হয়েছে মহাষ্টমীর কুমারী পূজা। কুমারী পূজা দেখতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যায়। দিনাজপুর রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে প্রায় সাড়ে ১০টা পর্যন্ত কুমারী পূজা হয়, যেখানে অমৃতা মিশ্রকে দেবী দুর্গার কুমারী রূপে পূজা করা হয়।
দিনাজপুর শহর ও আশপাশের এলাকা থেকে হাজারো ভক্ত রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমে সমবেত হয়ে জগতের মঙ্গল ও শান্তি কামনা করেন। খাগড়াছড়িতেও কুমারীপূজার মাধ্যমে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সেখানে এক কন্যাশিশুকে মাতৃরূপে সাজিয়ে পূজা করা হয় এবং ভক্তরা পার্বত্য এলাকায় মিলেমিশে শান্তিতে বসবাসের প্রার্থনা করেন।
জামালপুর, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, নোয়াখালী, সিরাজগঞ্জ ও ভোলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা। পাকুন্দিয়ায় ১০০টি শাড়ি এবং মেলান্দহে ১৩৮ জনের মধ্যে শাড়ি ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়। নোয়াখালীতে ছাত্রদল নেতা নাছির উদ্দীন নাছির ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সব ধর্মের মানুষের নিরাপদে উৎসব পালনের পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা বলেন।