২০২৬ সালের ২০ জুন প্রকাশিত ‘আমার দেশ অনলাইন’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যা হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ও ডিমেনশিয়ার মতো গুরুতর রোগের প্রাথমিক সতর্কবার্তা হতে পারে। গবেষকদের মতে, পুরুষাঙ্গ একজন পুরুষের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের সূচক হিসেবে কাজ করে, কিন্তু ৪০ বছরের বেশি বয়সি অর্ধেকেরও বেশি পুরুষ এই সমস্যায় ভুগলেও লজ্জা ও অনীহার কারণে চিকিৎসা নেন না, ফলে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তের সুযোগ হারিয়ে যায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, লিঙ্গোত্থানজনিত সমস্যায় আক্রান্ত পুরুষদের করোনারি হৃদরোগের ঝুঁকি ৫৯ শতাংশ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি ৩৪ শতাংশ বেশি। তাইওয়ানের এক গবেষণায় দেখা যায়, সাত বছরের মধ্যে ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ৬৮ শতাংশ বেশি। টাইপ-টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত পুরুষদের এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি প্রায় তিন গুণ। মানসিক চাপ, ধূমপান, মদ্যপান ও অতিরিক্ত পর্নোগ্রাফি ব্যবহারের মতো অভ্যাসও এ সমস্যার কারণ হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভায়াগ্রার মতো ওষুধ যৌনজীবন উন্নত করার পাশাপাশি হৃদরোগের অবস্থাও উন্নত করতে পারে, তবে এর অন্যান্য জটিলতা কমানোর কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।