ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে চার লেন উন্নয়ন প্রকল্পের নকশাগত দুর্বলতা, রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি ও অবৈধ ইউ-টার্নের কারণে নিরাপত্তা সংকট তৈরি হয়েছে। ৭ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্মাণের প্রায় ১৬ বছর পরও নামার বাজার আন্ডারপাসে জনদুর্ভোগ কাটেনি। বর্ষায় সেখানে পানি জমে এবং জরুরি সেবার যান চলাচলেও বাধা সৃষ্টি হয়।
২০১০ সালে সিনোহাইড্রো কর্পোরেশনের ৯ নম্বর প্যাকেজে সীতাকুণ্ড বাইপাস সড়ক ও নামার বাজার আন্ডারপাস নির্মিত হয়। তবে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রকল্পের মূল নকশা, কারিগরি বিবরণী ও ব্যয়সংক্রান্ত নথি পাওয়া যাচ্ছে না। ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, নিচু আন্ডারপাস দিয়ে বিশেষায়িত ভারী উদ্ধারযান চলতে না পারায় বড় দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজ বিলম্বিত হতে পারে।
পৌর সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি ডিভাইডার কেটে শতাধিক অবৈধ পারাপারের পথ তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সড়ক নিরাপদ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান পরিকল্পিত ইউ-টার্ন, সার্ভিস রোড ও নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা দাবি করেছেন। সওজ কর্মকর্তারা জানান, নথি না পাওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং সংস্কার ও জরুরি যান চলাচলের জন্য প্রকৌশলগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।