কুমিল্লার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাজমিন হত্যা মামলায় তাঁর পোশাক ডিএনএ পরীক্ষার জন্য এবং মোবাইল ফোন ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠাতে আদালতের অনুমতি চেয়েছে পুলিশ। হত্যার আগে তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন কি না নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের সময় সোয়াব নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সোমবার দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও লালমাই থানার উপপরিদর্শক আবদুল্লাহ আল ফারুক আদালতে আবেদন করার কথা জানান।
তাজমিনের পোশাক পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হচ্ছে। তাঁর মোবাইল ফোনও ফরেনসিক পরীক্ষার আওতায় আনা হবে। পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মো. সুমন হত্যার আগে তাজমিনকে ধর্ষণ করেন। হত্যার পর তিনি কিশোরীর ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে একটি আইফোন নিয়ে নিজের অটোরিকশায় রেখে অন্য অটোরিকশায় পালিয়ে যান।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সুমন মিয়া আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তাজমিনকে প্রথমে ধর্ষণ ও পরে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েক সপ্তাহ আগে পরিচিত রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ৮ অক্টোবর বাড়ি ফেরার পথে লালমাইয়ে তাজমিন নিহত হন; পরে ভোজগৎপুর উত্তরপাড়ার একটি ধানক্ষেত থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।