২০২৬ সালের ১৯ মার্চ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমেরিকা-ইসরাইলের হামলায় একের পর এক শীর্ষ নেতা নিহত হলেও ইরানের প্রতিরোধ আরও তীব্র হয়েছে। তেহরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ঘাঁটিগুলোতে হামলা অব্যাহত রেখেছে। মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স জানিয়েছেন, এ যুদ্ধে ইতোমধ্যে ২২ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় হয়েছে। ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের হামলায় ১৯২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মোট ৩,৭২৭ জন আহত হয়েছে।
উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যেখানে ইরান প্রায় তিন হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যার অর্ধেকের বেশি আবুধাবিকে লক্ষ্য করে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আলজাজিরাকে বলেন, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানির মৃত্যু দেশটির রাজনৈতিক কাঠামোকে দুর্বল করতে পারবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের সরকার কোনো একক ব্যক্তির ওপর নির্ভরশীল নয়।
আলজাজিরার বিশ্লেষক মারওয়ান বিশারা ইসরাইলের লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ডকে যুদ্ধবিরোধী সন্ত্রাসবাদ হিসেবে আখ্যা দেন। আরাঘচি আরও বলেন, এই সংঘাত ইরানের নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রই এটি শুরু করেছে এবং মানবিক ও আর্থিক বিপর্যয়ের সম্পূর্ণ দায় তাদেরই নিতে হবে।