শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিশুদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিরাপদে ব্যবহার এবং এর সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে তাদের শিখন দক্ষতা বাড়াতে হবে। মঙ্গলবার ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কো আয়োজিত ডিজিটাল লার্নিং উইক ২০২৬-এর ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে শিক্ষা’ শীর্ষক সেশনে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের শিশুদের ভিত্তিমূলক শিক্ষা ও বুনিয়াদি শিখনে দুর্বলতা রয়েছে। তাই তাদের পড়া, যুক্তি এবং যাচাইয়ের দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা প্রয়োজন। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এআই কেনা বা ব্যবহারের আগে শিক্ষকদের সম্পৃক্ত করার কথাও বলেন তিনি। এআই চালুর আগে পরীক্ষামূলক প্রকল্প, ক্রয়, মূল্যায়ন ও সংশোধন প্রক্রিয়ায় শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান।
এআই সময় বাঁচালেও সব ক্ষেত্রে ব্যবহার সম্ভব নয় এবং সময়ের চাহিদায় এর থেকে পিছিয়ে থাকারও সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন মিলন। শিক্ষকদের নিয়োগ, পদোন্নতি, মূল্যায়ন ও শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তে শুধু স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করা সম্ভব নাও হতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এআই মূল্যায়নে শিখনফল, শিক্ষকের কাজের চাপ, সমতা, নিরাপত্তা ও ব্যয়-সাশ্রয় বিবেচনার কথা বলেন তিনি।