বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম কে এম তাউসিফ সাউরি, যিনি তাহসিফ সাউরি নামে পরিচিত, তাঁর মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ার বিষয়টি প্রতিবেদনে আছে। গাজীপুরের টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মুস্তাফিজুর রহমান বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতিবেদনটি তৈরি করেন।
তুরাগ নদ থেকে বুধবার বিকেলে উদ্ধার হওয়া মরদেহটি শনাক্ত করেন তাহসিফের খালাতো ভাই জহির হাসান। প্রতিবেদনে তাঁর উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি, মাথার চুল কালো এবং মুখমণ্ডল গোলাকার বলা হয়েছে। মুখ ও চোখ বন্ধ ছিল, ছোট কালো দাড়ি-গোঁফ ছিল এবং দুই হাত মাথার সামনে বাঁকা অবস্থায় ছিল। পেট ফোলা ও হাতের মুঠো খোলা ছিল বলেও উল্লেখ করা হয়।
টঙ্গী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ২৮ অক্টোবর মরদেহ উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় মায়ের সঙ্গে শপিং শেষে বাসায় ফেরার পর এক সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে বের হন তাহসিফ। পরদিন তাঁর শেষ বার্তা ছিল, ‘আসছি’; এরপর তিনি আর ফেরেননি।