২০২৬ সালের ২ মার্চ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার পর বিভিন্ন দেশে মোট ৬০০ জন নিহত হয়েছেন। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, এর মধ্যে ৫৫৫ জন ইরানের ভেতরেই নিহত হয়েছেন। রাজধানী তেহরানের নিলুফার স্কয়ারে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয় এবং গান্ধী হাসপাতাল ও একটি পুলিশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দক্ষিণাঞ্চলীয় মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে যৌথ হামলায় প্রায় ১৮০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া ইসরাইলে ১০ জন, সিরিয়ায় ৪ জন, ইরাকে ২ জন, লেবাননে ৩১ জন, কুয়েতে ১ জন এবং আরব আমিরাতে ৩ জন নিহত হয়েছেন।
ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নাতি হাসান খোমেনি জনগণকে রাস্তায় ও মসজিদে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জনগণের উপস্থিতিই দেশের শক্তি। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানে নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিয়োগ, সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের ঘাঁটির দিকে ধেয়ে আসা দুই ড্রোন ভূপাতিত, লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা এবং ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি জানানো হয়েছে।
এই ঘটনাগুলো ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।