রংপুর নগরীর দাসপাড়া-মাছুয়াপাড়া এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে রংপুর মহানগর পুলিশ। শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে একটি দোতলা বাড়ি থেকে গণপতি, তার স্ত্রী প্রীতিলতা, মেয়ে প্রার্থী ও ১২ বছর বয়সী ছেলে প্রিয়মের লাশ উদ্ধার করা হয়।
রোববার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ আটক দুজনের নাম মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাস বলে জানান। তারা আত্মীয় এবং একই এলাকার বাসিন্দা; তাদের একজন স্থানীয় স্বর্ণের দোকানে কারিগর বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, পাশের নির্মাণাধীন বাড়ি দিয়ে তারা ছাদে উঠে ইয়াবা সেবন করেন এবং কথা কাটাকাটির পর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেন।
পুলিশ বলছে, জিজ্ঞাসাবাদে দুজন হত্যার পর আরও ছয় থেকে সাত ঘণ্টা বাড়িতে থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ সময় তারা গোসল করেন, খেজুর ও শসা খান এবং স্বর্ণালংকার নিয়ে বেরিয়ে যান বলে অভিযোগ। তাদের তথ্য অনুযায়ী মন্দিরের পেছনের পরিত্যক্ত স্থান থেকে কিছু স্বর্ণালংকার উদ্ধার হয়েছে। নিহতের ভাই অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা করেছেন এবং সঠিক তদন্ত দাবি করেছেন।