নিহত বিডিআর সদস্য নজরুল ইসলাম মল্লিকের চাচা হাবিবুর রহমান মল্লিক বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। তিনি জানান, ২০১০ সালের ৩ মার্চ সাদা পোশাকধারীরা নজরুলকে ধরে নিয়ে যায় এবং সে আর ফিরে আসেনি। পরে নজরুলের ভাই একটি পত্রিকায় প্রকাশিত ছবিতে তার লাশ শনাক্ত করেন, যেখানে দেখা যায় তার দুই হাত পিছমোড়া বাঁধা ও পেট ফাঁটা।
জবানবন্দিতে বলা হয়, নজরুল ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহের সময় বিডিআর হাসপাতালে মেডিকেল সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং পরে কোটালীপাড়ার মধুমতি ক্লিনিকে নুরুল ইসলাম মুন্সী নামে চাকরি নেন। নিখোঁজ হওয়ার পর মে ২০১০-এ বলেশ্বর নদীতে তার লাশ পাওয়া যায় এবং ওয়ারিশ না থাকায় বাগেরহাটে দাফন করা হয়। পরে ডিএনএ পরীক্ষায় পরিচয় নিশ্চিত হলে পরিবার লাশ তুলে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করে।
হাবিবুর রহমান জানান, ঘটনার পর গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা প্রায়ই তাদের বাড়িতে আসত এবং বিভিন্ন সূত্রে তারা জানতে পারেন র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের সদস্যরাই নজরুলকে হত্যা করেছে।