গুমের একটি মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে সাক্ষ্য দিয়ে মেজর সাব্বির অভিযোগ করেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে বলেশ্বর নদে নিয়ে গুলি, পেট কেটে এবং সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ঘটনাটি ঘটে ২০১০ সালের মে মাসে।
মেজর সাব্বিরের ভাষ্য অনুযায়ী, র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়। চারজনকে পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদে একটি ফিশিং ট্রলারে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের মুখ ও পুরো শরীর ঢাকা ছিল বলে তিনি জানান।
এর আগে ২ সেপ্টেম্বর একই ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও হত্যার অভিযোগে সাক্ষ্য দেন ট্রলার মাঝি আব্বাস মল্লিক। তিনি অভিযোগ করেন, ঢাকা ও বিভিন্ন স্থান থেকে আনা বন্দিদের গুলি করে তাদের গলা বা পায়ে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলা হতো। তিনি ট্রলার ধোয়ার প্রয়োজন হওয়ার কথাও বলেন।