সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় একাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে, যার উৎপত্তিস্থল রাজধানীর খুব কাছাকাছি। সর্বশেষ ভূমিকম্পটি ২২ জুন রাতে ঘটে, রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৪.৪ এবং উৎপত্তিস্থল ছিল নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে, ঢাকা থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার দূরে। এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ৩.২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল এবং ২০২৫ সালের নভেম্বরে নরসিংদীতে ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রাণহানি ও আহতের ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এসব ভূমিকম্প টেকটোনিক কার্যকলাপ বা পুরনো ফল্টের পুনরায় সক্রিয়তার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। বাংলাদেশ ইউরেশিয়ান, ইন্ডিয়ান ও বার্মিজ প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় ভূমিকম্পপ্রবণ। ঢাকায় বড় ফল্ট লাইন না থাকলেও নরসিংদী ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে সক্রিয় বা ‘ব্লাইন্ড ফল্ট’ রয়েছে, যা শনাক্ত করা কঠিন।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পগুলো মাঝারি মাত্রার হলেও ঘনবসতি ও দুর্বল অবকাঠামোর কারণে ঢাকার ঝুঁকি রয়ে গেছে। তারা ভবন কাঠামো পরীক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।