নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্ধ দলীয় কার্যালয় খুলে কার্যক্রম শুরু করেছেন। চট্টগ্রামে থানার সামনে অফিস খোলা, শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য পরিষ্কার এবং স্লোগান দেওয়া দেখা গেছে। বরিশালে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা গভীর রাতে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রবেশ করে ব্যানার টাঙিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। পরদিন সকালে ব্যানারটি সরিয়ে নেওয়া হয়, তবে কারা সরিয়েছে তা জানা যায়নি।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। চট্টগ্রামে ছাত্রজনতা বিক্ষোভ শেষে পুনরায় খোলা অফিস ভবনে আগুন দেয়। বিরোধী দল ও নাগরিক সংগঠনগুলো প্রশ্ন তুলেছে, নিষিদ্ধ দলের নেতাকর্মীরা কীভাবে পুলিশ অফিসের কাছাকাছি জড়ো হতে পারল। পুলিশ জানিয়েছে, এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, তবে ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের পুনরায় সক্রিয় হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যা প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ না নিলে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে।