চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আতিথ্য দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানান। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার আগে রাশিয়া ও চীনকে আলাদা করার প্রতিশ্রুতি দিলেও তার সাম্প্রতিক নীতিগুলো উল্টো এই দুই দেশের সম্পর্ককে আরও মজবুত করেছে। ইরান যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালীর বন্ধ হয়ে যাওয়া চীনকে রাশিয়ার তেল ও গ্যাসের ওপর আরও নির্ভরশীল করেছে, ফলে বছরের প্রথম চার মাসে দুই দেশের বাণিজ্য প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে।
জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ছে; চীনা কোম্পানিগুলো গ্যাজপ্রমের সঙ্গে নতুন চুক্তি করেছে এবং ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া ২’ পাইপলাইন প্রকল্প পুনরায় আলোচনায় এসেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্কের বাইরে, উভয় দেশই যুক্তরাষ্ট্রনেতৃত্বাধীন পশ্চিমা বিশ্বের কর্মকাণ্ডকে বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতার উৎস হিসেবে দেখে, যা তাদের আরও ঘনিষ্ঠ করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্লিনটন থেকে বাইডেন পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসনের নীতিগুলো এই ঘনিষ্ঠতাকে ত্বরান্বিত করেছে।
ট্রাম্পের সফরের পরপরই পুতিনকে শির আমন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি এক স্পষ্ট বার্তা যে চীন-রাশিয়া জোট আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী।