অক্টোবরে নাইরোবিতে ইবোলার বান্দিবুগিও ধরনে পরস্পর-সংযুক্ত দুই রোগী শনাক্ত হওয়ার পর জাতীয় পর্যায়ে প্রস্তুতি জোরদার করেছে কেনিয়া। প্রথম রোগী কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র থেকে উগান্ডা হয়ে ৩ অক্টোবর নাইরোবিতে পৌঁছান এবং ৫ অক্টোবর মারা যান। তাঁর ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্য ৩৯ বছর বয়সী দ্বিতীয় রোগীর সংক্রমণ ১৪ অক্টোবর নিশ্চিত হয়; তাঁকে নির্ধারিত চিকিৎসাকেন্দ্রে সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ৬ লাখ ৬৫ হাজারের বেশি যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। ১২৭ জন সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে এবং ৯৪ জনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। ইবোলা পরীক্ষার জন্য পাঁচটি পরীক্ষাগার নির্ধারণ এবং প্রায় পাঁচ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীতে সংক্রমণ ছড়ানোর প্রমাণ নেই।
তবে সোমালিয়া সীমান্তের কাছে ওয়াজির কাউন্টিসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সেখানে এক সন্দেহভাজন রোগীর নমুনায় ইবোলা মেলেনি, কিন্তু আইসোলেশন কেন্দ্রের ধারণক্ষমতা, বিশেষ প্রশিক্ষিত কর্মী ও বাজেটের বিস্তারিত জানানো হয়নি। ওয়াজিরে আইসোলেশন কেন্দ্র ও দ্রুত সাড়াদানকারী দল গঠন করা হয়েছে এবং বেতার, কমিউনিটি স্বাস্থ্যকর্মী, বিদ্যালয় ও পোস্টারের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে।