বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপির গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর বুধবার ও বৃহস্পতিবার বহু দেশের ওয়েবসাইট ও অনলাইন সেবা ব্যাহত হয়। গবেষকেরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ত্রুটিটি শনাক্ত করেন। সম্ভাব্য সাইবার হামলা ঠেকাতে বিভিন্ন সরকার ও প্রতিষ্ঠান সতর্কতামূলকভাবে সেবা বন্ধ রাখে। জাপানের প্রধানমন্ত্রীর ওয়েবসাইট, জার্মানির হাসপাতাল, ফ্রান্সের করসেবা এবং ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অলাভজনক পিএইচপি ফাউন্ডেশন বুধবার সকালে ত্রুটি সংশোধনের প্যাচ প্রকাশ করে, ফলে অনেক সেবা এক দিনেরও কম সময়ে আবার চালু করা সম্ভব হয়। যুক্তরাজ্য সরকার জানায়, তারা ৩২টি সেবা বন্ধ রেখেছিল। হ্যানোভার মেডিকেল স্কুল কর্তৃপক্ষ বলে, তাদের হাসপাতাল হ্যাক হয়নি। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে বলেন এবং জানান, নিরাপত্তা হালনাগাদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল।
ক্লাউডফ্লেয়ারের প্রধান নির্বাহী ম্যাথিউ প্রিন্স বলেন, ত্রুটি প্রকাশের আগেই সেটি কাজে লাগানোর হাজারো চেষ্টা ধরা পড়ে। প্রকাশের ৪৫ মিনিটে এ সংখ্যা ১০ হাজার, দুই ঘণ্টায় কয়েক লাখ এবং পরে কয়েক মিলিয়নে পৌঁছায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্রুটি কাজে লাগিয়ে সার্ভার নিয়ন্ত্রণ, ব্যক্তিগত তথ্য চুরি ও ওয়েবসাইটের কনটেন্ট বিকৃত করা সম্ভব ছিল। ছোট ব্যবসার কিছু ওয়েবসাইট সাত ঘণ্টা পর্যন্ত বন্ধ ছিল বলে জানা গেছে।