শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে জামায়াতের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুলের প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় আইনের বিধান মেনে জ্যেষ্ঠতা, উচ্চতর একাডেমিক যোগ্যতা, শিক্ষকতা ও গবেষণার অভিজ্ঞতা, প্রশাসনিক দক্ষতা এবং একাডেমিক নেতৃত্বের সক্ষমতা বিবেচনা করা হয়েছে।
তিনি কেবল রাজনৈতিক আনুগত্যকে জ্যেষ্ঠতা, উচ্চতর একাডেমিক যোগ্যতা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার ওপর প্রাধান্য দেওয়ার বক্তব্যকে তথ্যভিত্তিক নয় বলে উল্লেখ করেন। শিক্ষামন্ত্রীর মতে, উপাচার্যের দায়িত্ব হলো একাডেমিক উৎকর্ষ নিশ্চিত করা, প্রশাসনে নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি বজায় রাখা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অংশীজনের অধিকার রক্ষা করা এবং ক্যাম্পাসে সুষ্ঠু, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
মিলন বলেন, একাডেমিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে সিন্ডিকেট, সিনেট, একাডেমিক কাউন্সিল ও অন্যান্য বিধিবদ্ধ কর্তৃপক্ষকে কার্যকর রাখার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। আর্থিক স্বচ্ছতা, নিয়মিত নিরীক্ষা, জবাবদিহি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ন্যায়সংগত অধিকারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কোনো উপাচার্যের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অনিয়ম, পক্ষপাতিত্ব বা ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।