তেজগাঁও কলেজের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী রাতুল হাসান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি দিয়ে বলেছেন, রামপুরায় জুলাই আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে তাঁর বাম হাঁটুর হাড় ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। ২৩ বছর বয়সী রাতুল বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
রাতুল বলেন, তিনি শুরু থেকেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে অংশ নেন। রংপুরে আবু সাঈদ ও চট্টগ্রামে ওয়াসিম নিহত হওয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার পর তিনি আরও দৃঢ়ভাবে আন্দোলনে যুক্ত হন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই জুমার নামাজের পর রামপুরা মাল্টিকেয়ার হাসপাতালের সামনে পুলিশ ও বিজিবি কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই গুলি চালায়।
তিনি জানান, বেটার লাইফ হাসপাতালের দিকে দৌড়ানোর সময় একটি গুলি পেছন দিক দিয়ে বাম হাঁটুর নিচে ঢুকে সামনের দিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। এতে প্রায় দেড় ইঞ্চি হাড় ক্ষয় হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সিনা হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নেন। এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন বলে জানিয়ে গুলির নির্দেশদাতা ও গুলিকারীদের বিচার দাবি করেন রাতুল।