মানবাধিকারকর্মীরা নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে ইসরাইলের কারাগারগুলোতে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর নির্যাতন, অমানবিক আচরণ ও মৃত্যুর ঘটনা এখন এক ধরনের স্বাভাবিক বাস্তবতা হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ছবি, সাক্ষ্য ও মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদনে এসব ঘটনার প্রমাণ উঠে এসেছে। আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. হুসাম আবু সাফিয়া, যিনি প্রায় ১৮ মাস ধরে অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই আটক রয়েছেন এবং আইনজীবীর মাধ্যমে জানা গেছে, তিনি নিয়মিত নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি তাকে রাকেফেত নামের ভূগর্ভস্থ কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে, যা অমানবিক পরিবেশের কারণে একসময় বন্ধ ছিল। বর্তমানে প্রায় ৩,৫০০ ফিলিস্তিনি, যার মধ্যে প্রায় ২০০ শিশু রয়েছে, প্রশাসনিক আটক ব্যবস্থায় বন্দি। মুক্তিপ্রাপ্ত সাংবাদিক আলী আল-সামৌদি কারাগারের অভিজ্ঞতাকে “নরক” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয় বরং দীর্ঘদিনের নীতির অংশ, যার লক্ষ্য ফিলিস্তিনি সমাজের নেতৃত্ব ও মনোবল ভেঙে দেওয়া। জাতিসংঘ উদ্বেগ প্রকাশ করলেও নিরপেক্ষ তদন্ত ও জবাবদিহি এখনও অনিশ্চিত রয়ে গেছে।