দুই সপ্তাহের পাল্টাপাল্টি হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আক্রমণ স্থগিত করায় সোমবার আন্তর্জাতিক তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি কমেছে। ২৭ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত কূটনৈতিক সমাধানের আশা তৈরি করেছে এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়েছে। গ্রিনিচ মান সময় ০৮:০৪টায় ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্স ৫ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯১ দশমিক ০৮ ডলারে দাঁড়ায়।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুড ৫ দশমিক ৪ শতাংশ কমে ৮৪ দশমিক ৫১ ডলারে ছিল। তিন সপ্তাহের মূল্যবৃদ্ধির পর উভয় বাজার সর্বনিম্ন স্তরে লেনদেন হচ্ছিল। সংঘাতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ কমে ব্রেন্ট একসময় ১০০ ডলারে উঠেছিল; পরে লোহিত সাগরে উত্তেজনা ছড়িয়ে সৌদি আরব থেকে এশিয়ায় তেল রপ্তানিও বাধাগ্রস্ত হয়।
জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বলেন, কূটনৈতিক আলোচনার সময় দিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলা স্থগিত করেছেন। তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়া ধীর ও আংশিক হতে পারে। কেপলারের হিসাবে সপ্তাহান্তে প্রতিদিন ১০টির কম পণ্যবাহী জাহাজ হরমুজ অতিক্রম করেছে। লোহিত সাগর সংকট ও রাশিয়ার জাহাজ-শোধনাগারে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলা সরবরাহ ঝুঁকি ও মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বজায় রাখতে পারে।