গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে কীটনাশক ছাড়াই ফসলের ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত ও দমনের কৌশল হিসেবে আলোক ফাঁদের ব্যবহার ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে। কৃষকেরা সন্ধ্যার পর ফসলের জমিতে একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব জ্বালান এবং এর নিচে পানিভর্তি পাত্র রাখেন। পানিতে সামান্য কেরোসিন, ডিটারজেন্ট বা সাবানের গুঁড়া মেশানো থাকে।
আলোর প্রতি আকৃষ্ট বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড় পানির পাত্রে পড়ে আটকে যায়। পোকার আক্রমণ বেশি এমন স্থানে জমির পাশে এ ফাঁদ বসানো হয়। এতে ক্ষতিকর পোকার ধরন ও সংখ্যা শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, পদ্ধতিটি সহজ ও স্বল্প খরচের; পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার এবং মাটি ও পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে সহায়ক।
পলাশবাড়ী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শর্মিলা শারমিন বলেন, নিয়মিত ফাঁদ পর্যবেক্ষণ করলে শুরুতেই পোকার উপস্থিতি শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাজ্জাদ হোসেন সোহেল জানান, উপজেলার ২৭টি ব্লকের প্রতিটিতে সপ্তাহে এক দিন একযোগে আলোক ফাঁদ স্থাপনের নির্দেশনা রয়েছে। নির্দেশনা বাস্তবায়নে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কাজ করছেন।