আগামী ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে তামাক পণ্যের দাম বৃদ্ধি ও সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি চালুর সুপারিশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে অকাল মৃত্যু কমবে এবং রাজস্ব আয় বাড়বে বলে তারা মনে করেন। রোববার রাজধানীর বিএমএ ভবনে অনুষ্ঠিত “তামাক কর ও মূল্য পদক্ষেপ: বাজেট ২০২৬–২৭” শীর্ষক সাংবাদিক কর্মশালায় এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। কর্মশালাটি আয়োজন করে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এবং অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া এলায়েন্স (আত্মা)। এতে ২৮ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
কর্মশালায় জানানো হয়, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের সিগারেট ব্যবহারকারীদের একত্রিত করে দাম বাড়ালে স্বল্প আয়ের মানুষ ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত হবে এবং তরুণরা ধূমপান শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের খুচরা মূল্য নিম্ন ও মধ্যম স্তরে ১০০ টাকা, উচ্চ স্তরে ১৪০–১৫০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরে ১৮৫–২০০ টাকা বা তার বেশি নির্ধারণের পরামর্শ দেওয়া হয়। পাশাপাশি, খুচরা মূল্যের ওপর ৬৭ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বহাল রেখে প্রতি প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট শুল্ক আরোপের প্রস্তাব করা হয়।
এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে তামাক খাত থেকে ৮৫ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব আয় হতে পারে এবং প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষের অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে বলে জানানো হয়।